New Gadgets, Smartphone and Software Review

Showing posts with label কলাম. Show all posts
Showing posts with label কলাম. Show all posts

Wednesday, December 11, 2019

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কিভাবে বি এন পি'তে এলেন?

December 11, 2019 0

কে এই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আপনি জানেন কি কে এই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর? আপনি হয়তো ভাবছেন আমি পাগল হয়ে গেছি? নতুবা আমার মতিভ্রম হয়েছে। কে না জানে তিনি কে , তাঁর কি পরিচয়। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বি, এন, পি) এর মহাসচিব - এ কথা কে না জানে? এটুকু জেনে যারা সব জানার ভান করছেন তারা থাকেন , আর যারা আরো অধিক জানতে চান - আমার সাথে চলুন। তিনি একজন অসাধারণ প্রতিভাবান মানুষ এবং পরম সৌভাগ্যবানদের অন্যতম একজন । তিনি প্রথম জীবনে মাস্টারি পেশায় যুক্ত ছিলেন বলেই কিনা এমন ধীশক্তির অধিকারী হলেন, নাকি বাবা রহুল আমীনের কাছ থেকে জেনেটিক্যালি ঝুপ বুঝে কূপ মারা নীতি পেয়ে এমন শান্তশিষ্ট- সদালাপী- মৃদুভাষী হয়েছেন -তা বুঝতে পারিনা ; আমদের ফাটাকেস্ট মন্ত্রী উনাকে আর উনার দলকে কত রকমের উসকানিমূলক আর অপমানজনক কথা বলেছেন- কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের রা নেই; যেন উনি মূক,বধির ও কালা।


বি এন পি মহাসচিব লিস্ট যারা অবদান রেখেছে দলের দুঃসময়ে

December 11, 2019 1

বি এন পি মহাসচিব লিস্ট বা নামের তালিকা ।

আসুন জেনে নেই বি এন পি মহাসচিব লিস্ট বা নামের তালিকা যারা অবদান রেখেছে দলের সুসময়ে এবং দুঃসময়ে
  1. ডাঃ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
  2. কর্নেল (অব) মোস্তাফিজুর রহমান
  3. কে এম ওবায়দুর রহমান
  4. ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার
  5. আবদুল মান্নান ভুঁইয়া
  6. খন্দকার দেলোয়ার হোসেন
  7. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বি এন পি মহাসচিব
বি এন পি মহাসচিব

আসুন জেনে নেই বি এন পি মহাসচিবরা কে কোথায় ছিলেন এবং বর্তমানে কোথায় আছেন

আমরা সবাই জানি যে, মেজর জিয়া কর্তৃক ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি ) গঠিত হয়।১৯৭৫ এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বহুদলীয় গণত্রন্ত্র মন্ত্র নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি ) গঠিত হয়। সেই থেকে হালনাগাদ সময় পর্যন্ত সাতজন বি এন পি মহাসচিব পদে আসীন হয়েছেন । বহুদলীয় গণত্রন্ত্র মন্ত্রের আড়ালে মেজর জিয়া এ দেশে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতিকে পুনর্জীবিত করেছিলেন , যা মুক্তিযুদ্ধের পরিপন্থী ও স্পষ্ট ভাবে ৭২'রের সংবিধান লঙগণের সামিল। যাইহোক, এই বিষয়ে অন্যত্র আলোচনা হবে । এবার আলোচনায় ফিরে আসি-

ডাঃ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী

প্রতিষ্ঠা লগ্নে এই দলের মহাসচিবের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয় ডাঃ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর উপর। যিনি পরবর্তীতে ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকারের আনুকূল্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন কিন্তু দলের সাথে মতবিরোধ হওয়ায় এক বছরের কম সময়ের ব্যাবধানে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। সে বিদায় সুখকর ছিলনা । এর আগে তিনি মেজর জিয়ার শাসনামলে উপ-মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রীসহ আরো অনেক গুরুত্ব পূর্ণ পদে আসীন হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে জিয়ার মাজারে ফুল না দেওয়ার অপরাধে উনাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। বর্তমানে তিনি বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি। উনার দলের প্রতীক বা মার্কা হলো - কুলা।


কর্নেল (অব) মোস্তাফিজুর রহমান

তিনি হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি )এর ২য় মহাসচিব। ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত কর্নেল (অব) মোস্তাফিজুর রহমান (বি এন পি )এর মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ১৯৫২ সালে তিনি ক্যাডেট হিসেবে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৭৩ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে আসীন হওয়ার পর সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে বাগেরহাট-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট সাত্তার সাহেবের মন্ত্রীসভার বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি পরলোকগত। ১৯৯৬ সালের ৩০ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

কে এম ওবায়দুর রহমান

তিনি ছিলেন বি এন পি'র তৃতীয় মহাসচিব । কে এম ওবায়দুর রহমান ফরিদপুরের সন্তান । তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম , এ পাস করেন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালীন তিনি একবার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দু'বার ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৬২ - ৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন । ১৯৬৪ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ৭০ এর নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন । মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন । বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী সভায় তিনি ডাক ও তার প্রতিমন্ত্রী ছিলেন । জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান নিহিত হয়ার পর তিনি খোন্দকার মুশতাকের সরকারে যোগ দেন । বিশেষভাবে উল্লেখ্য থাকে যে, তিনি জেল হত্যা মামলার অন্যতম আসামী ছিলেন । ২০০৪ সালে তিনি জেল হত্যা মামলা থেকে খালাস পান , তখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল বি এন পি'র নেতৃতাধীন চারদলীয় জোট সরকার । তিনি ১৯৭৮ সালে বি এন পি'তে যোগ দেন এবং ১৯৮৬ - ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি বি এন পি'র মহাসচিব ছিলেন । এরশাদের সামরিক সরকারে চাপে তিনি জনতা দল নামে একটি দল গঠন করে চাকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন । ২১শে মার্চ ২০০৭ সালে তিনি মারা যান। তার কন্যা শামা ওবায়েদ বি এন পি'র রাজনীতির সাথে জড়িত।

ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার

তিনি ছিলেন বি এন পি'র চতুর্থ মহাসচিব । ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার জামালপুরের সন্তান । তার বাবা জনাব রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার জামালপুর জেলার মধ্যে একজন দানশীল ও ধার্মীক ব্যাক্তি ছিলেন। তিনি আইনজীবী হিসেবে পেশাদারী জীবন শুরু করলেও পরে বি এন পি'র রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। ১৯৯৯ সালের ২২শে আগস্ট তিনি চিকিৎসার উদেশ্যে বিদেশে যাবার সময় বিমান বন্দরে মারা যান ।

আবদুল মান্নান ভুঁইয়া

তিনি ছিলেন বি এন পি'র পঞ্চম মহাসচিব । আবদুল মান্নান ভুঁইয়া ছিলেন বাম রাজনীতির পরিচিত মুখ । তিনি ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী এবং নেতা ছিলেন । পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের ( মেনন ) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এই আবদুল মান্নান ভুঁইয়া । ছাত্র জীবন শেষে তিনি মাওলানা ভাষানীর ন্যাপে যোগ দেন । ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমানের অনুরোধে তিনি বি এন পি তে যোগ দেন । ১৯৯৬ সালের ২৬ জুন খালেদা জিয়া তাকে বি এন পি মহাসচিব মনোনীত করেন । তিনি টানা ১১ বছর বি এন পি মহাসচিব ছিলেন । মাইনাস টু ফর্মূলার অন্যতম রুপকার হিসেবে তার নাম ছড়িয়ে পড়লে খালেদা জিয়া তাকে দল থেক বহিস্কার করে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন কে মহাসচিব মনোনীত করেন ।

খন্দকার দেলোয়ার হোসেন

তিনি ছিলেন ষষ্ঠ বি এন পি মহাসচিব । তিনি ছিলেন মাওলানা ভাষানীর ন্যাপের সক্রিয় কর্মী । ১৯৭৮ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের জাগদলে যোগ দিয়ে দল পরিবর্তন করেন । ২০০৭ সালে তিনি বি এন পি'র মহাসচিব হন । ২০১১ সালের ১৬ মার্চ তিনি মারা যান ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

তিনি বি এন পি'র বর্তমান মহাসচিব । ছাত্র জীবনে তিনি বাম রাজনীতি করতেন । অধ্যাপনা দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করলেও বাবার অনুরোধে তিনি পূনরায় রাজনীতিতে ফিরে আসেন । ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ তিনি মহাসচিব নির্বাচিত হন কিন্তু আর আগেই তিনি ১৬ মার্চ ২০১১ থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর



Saturday, December 7, 2019

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের অবদান

December 07, 2019 2

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের অবদান ও মহান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের অবদান নিয়ে কিছু বলা প্রয়োজন মনে করছি কারণ জামাতী ইসলামী যখন বলে - "স্বাধীনতা এনেছি , স্বাধীনতা রাখব " তখন জাতি হিসেবে লজ্জিত হয় আর ব্যাক্তি হিসেবে, সাধারণ একজন বাংলাদেশী হিসেবে ভয়ে কুচকে যায় কারণ অতীত ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে - জামাতীরা মিথ্যাকে সত্য প্রমাণিত করতে পারে আর সত্য কে মিথ্যা । আমাদের মহান স্বাধীনতার ইতিহাস এক নিবন্ধনে লিখে শেষ করা যাবেনা । আর কিভাবে শেষ করব? সাত সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা এক নিবন্ধন কেন ১০০ কোটি নিবন্ধন লিখেও শেষ করা যাবেনা। এই দেশের সূর্যসন্তানদের আত্মকাহিনী লেখার কাগজ আর কলম পৃথিবীতে আছে বলে আমার মনে হয়না।আজকে নিবন্ধন লিখতে বসিনি ; প্রশ্নের উত্তর মিলাতে বসেছি। একটা প্রশ্ন আমার মনে প্রায়ঃ সময় খোঁচা মারে। সে প্রশ্নের উত্তর মেলানোর জন্য আজকে চেষ্টা করব। আমি যদি কোথাও ভুল করে থাকি,আপনারা কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস ও ১৯৭১ সালের কথা উঠলেই হিন্দুরা বুক ফুলিয়ে গর্ব করে বলে যে তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ; বেশি অবদান রেখেছে। কিন্তু আমি তাদের অবদান দেখতে পাচ্ছিনা। তারা ( হিন্দুরা ) অবদান না রেখেই, মিথ্যা বলে থাকে বলেই আমার বিশ্বাস। যে রকম বলে থাকে জামাতে ইসলামীরা । আমি কয়েকটা প্যারামিটারে তাদের অবদান মাপার চেষ্টা করছি ; আপনারাও আমাকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারেন। যারা ১৯৭১ সালে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে তাদেরকে আমরা বীরশ্রেষ্ঠ ( ১ নং প্যারামিটার ) উপাধি দিয়েছি ; বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পাওয়া এই সাত জনের মধ্যে একজনও হিন্দু আছে কি? আসুন সাত জন বীরশ্রেষ্ঠের নাম জেনে নেই; তাহলে বিচার করতে আপনার সুবিধা হবে।




সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নামঃ

  1. মুন্সি আব্দুর রুউফ
  2. মোঃ মোস্তফা কামাল
  3. মতিউর রহমান
  4. নূর মোহাম্মদ শেখ
  5. হামিদুর রহমান
  6. রুহুল আমীন
  7. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর

উপরের সাতটি নামের মধ্যে একটি হিন্দু নাম আছে কি? যদি না থাকে তাহলে হিন্দুরা মিথ্যা কথা বলে বেশি ফায়দা লুটে নেয় কিভাবে? বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের অবদান আপনি কোথাও খুঁজে পেয়েছেন কি ?




১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংগ্রামে অবদান রাখার জন্য ৬৯ জনকে আমরা বীর উত্তম ( ২ নং প্যারামিটার ) খেতাব দিয়েছি। তাদের মধ্যে মাত্র একজন হিন্দু। তার নাম চিত্ত রঞ্জন দত্ত। ১৭৫ জনকে আমরা বীর বিক্রম ( ৩ নং প্যারামিটার ) খেতাব দিয়েছি; তাদের মধ্যে ২ জন হিন্দু। তারা হলেন জগতজ্যোতি দাস, নীলমণি সরকার। বীর প্রতীক ( ৪ নং প্যারামিটার ) খেতাব প্রাপ্ত ৪২৬ জনের মধ্যে মাত্র ২ জন হলেন হিন্দু। তারা হলেন - অলীক কুমার গুপ্ত ও দেবদাস বিশ্বাস ( খোকন ) । সেক্টর কমান্ডার ও সাবসেক্টর কমান্ডার ( ৫ নং প্যারামিটার ) হিসেবেও কারো নাম পাওয়া গেলনা। যার নাম পাওয়া গেল আমার হিসেবে আগেই যোগ হয়েছেন , তিনি হলেন ৪ নং সেক্টর কমান্ডার - চিত্ত রঙ্গন দত্ত (বীর উত্তম )। এখন আমার মনে হচ্ছে তাদেরকে ( হিন্দুদেরকে ) বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারে পাওয়া যাবে। আসুন জেনে নেই বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার ( ৬ নং প্যারামিটার ) কারা পরিচালনা করছিলেন



১৯৭১ সালের বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রী পরিষদ ও দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যাক্তি বর্গঃ

  • অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  • প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দীন আহমদ
  • পররাষ্ট্র মন্ত্রী - খন্দকার মোশতাক আহমদ
  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী - এ এইচ এম কামারুজ্জামান
  • অর্থমন্ত্রী - এম মনসুর আলী
  • প্রধান সেনাপতি - কর্নেল এম এ জি ওসমানী
  • চিফ অব স্টাফ - কর্নেল এম এ রব
  • বিমান বাহিনীর প্রধান - গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খোন্দকার
  • প্রতিরক্ষা সচিব - আবদুস সামাদ
  • উপ সচিব - আকবর আলী খান ও এস এ ইমাম
  • সহকারী সচিব - নুরুল ইসলাম চৌধুরী ও এম এইচ সিদ্দিকী

উপরে উল্লেখিত ব্যাক্তিদের মধ্যে কাউকে কি আপনার হিন্দু বলে মনে হয়? যদি আপনার উত্তর হয় - না। তাহলে হিন্দুরা ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার যুদ্ধে কিভাবে অবদান রাখল, আমাকে বলবেন কি? তাহলে কি যে ৩০ লক্ষ্য শহীদ ও ৩ লক্ষ্য বিরংগনার কল্যাণে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি , তারা সবাই হিন্দু ছিল? যদি তাই হয় তাহলে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিল কারা? মুসলমানরাতো পালানোর জাতি নয়;মুসলমানরা প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিল আর হিন্দুরা প্রাণ বাঁচাতে।


আরো পড়ুনঃ

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান , বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বিশ্ব হতবাক, পাকিস্তানের মাথায় হাত

Thursday, October 4, 2018

বাংলাদেশের ইতিহাস সর্বশেষ আপডেট

October 04, 2018 0

বাংলাদেশের ইতিহাস

বাংলাদেশের ইতিহাস
বাংলাদেশের ইতিহাস

প্রিয় বাংলার জন্ম ইতিহাস ও বাংলা মায়ের উপর হওয়া সকল অত্যাচার - উৎপীড়নের ঘটনাবলী এবং বাংলা মায়ের দামাল ছেলেদের বীরত্বপূর্ণ কাহিনী নিয়ে - বাংলাদেশের ইতিহাস ও সফলতার গল্প


দ্বিজাতি তত্ত্ব ও এর অভিশাপ

১৯৩০ সালে ডিসেম্বর মাসে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভায় সভাপতির ভাষণে পাকিস্তানের বিখ্যাত কবি ও দার্শনিক আল্লামা ইকবাল দ্বিজাতি তত্ত্বের তাত্ত্বিক কাঠামো উপস্থাপন করেন ।
১৯৪০ সালের ২২ -২৩ শে মার্চ লাহোরে সভাপতির ভাষণে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বিজাতি তত্ত্বের ব্যাখ্যা ও কার্যকারিতা তুলে ধরেন ; এ কারনে তাকে দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা বলা হয় । এই দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি পৃথক ও স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয় ;জন্ম হয় ধর্মীয় রাজনীতি ও মৌলবাদের ।


১৯৪৭


  • ১৪ আগস্ট পাকিস্তান বৃটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে
  • ১৫ আগস্ট ভারত বৃটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে

১৯৪৮

  • ২৩ শে ফেব্রুয়ারী গণপরিষদে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা করার দাবি জানান ।
  • ২১ শে মার্চ রেসকোর্স ময়দানে জনসভায়মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন - উর্দুই হবে পাকিস্তানের এক মাত্র রাষ্ট্র ভাষা ।

১৯৪৯

Thursday, September 27, 2018

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান , বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বিশ্ব হতবাক, পাকিস্তানের মাথায় হাত

September 27, 2018 0

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ;বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান

পশ্চিম পাকিস্তানিরা কিভাবে বাঙ্গালীদের উপর অত্যাচার - অবিচার করেছে তা জানতে নিচের বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ১৯৪৭ - ১৯৭১ পড়ুন । পাকিস্তানীরা আমাদের ভাই কিন্তু আচারন করেছে সৎ ভাইয়ের মত । তারা খেয়েছে আপেল কমলা আর আমাদেরকে দিয়েছে সারা দিনে একবেলা ভাতের ফেন বা জাও । পাকিস্তানীরা হয়েছে অফিসের বস আর আমরা হয়েছি তাদের চাকর বা গোলাম । আমদের বাংলা ভাষাকে তারা মেরে ফেলতে চেয়েছিল । হারামজাদা পাকিস্তানিরা - বজ্জাতের হাড্ডি । আল্লাহর রহমতে আজ আমরা তাদের বস হয়েছি । সামাজিক , অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিক সকল ক্ষেত্রে আজ বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পিছনে ফেলেছে । পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে - জ্বলে পোড়ে মরে ছারখার । পাপ বাপকেও ছাড়ে না - পাকিস্তানের পাপের ফল পাকিস্তানকেই ভোগ করতে হবে । ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মা আর ৩ লক্ষ বিরঙ্গনা সব সময় পাকিস্তানকে অভিশাপ দিয়ে যাচ্ছে - যাতে জ্বলছে পাকিস্তান;কাঁদছে পাকিস্তান ।



বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান
বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান

বাংলাদেশন বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ; পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যর তুলনা মূলক চিত্র ( ১৯৪৭ - ১৯৭১ )

বাংলাদেশকে চিবিয়ে খেয়েছে - পাকিস্তান
ঘটনা প্রবাহ  পূর্ব পাকিস্তান ( বাংলাদেশ ) পশিম পাকিস্তান ( পাকিস্তান )
আয়তন ১৪৭৫৭০ বর্গ কিঃমিঃ  ৮০৩৯৪০ বর্গ কিঃমিঃ 
জনসংখ্যা সাড়ে সাত কোটি ৫  কোটি 
আয়   ৬০%  ৪০% 
ব্যয় ( ভোগ )  ২৫%   ৭৫% 
পাট রপ্তানি   ৭৫%   ২৫%  
বিদেশী ঋণ   এত ঋণের এক টি পয়সাও বাংলাদেশে আসেনি,
পশ্চিম পাকিস্তানে কল কারখানা ও
 করাচী বন্দর নির্মাণ হয়েছে
এই টাকায় আর সমস্ত ঋণ
 আমাদের পয়সায় শোধ হয়েছে ।  
১৯৬৫ সালে চীন থেকে ৬০ মিলিয়ন ডলার
 বিশ্ব ব্যাংক থেকে ১৯৫৪ তে ১৪ মিলিয়ন ডলার
বিশ্ব ব্যাংক থেকে ১৯৬৪ তে ১৭ মিলিয়ন ডলার
বিশ্ব ব্যাংক থেকে ১৯৬৫ তে ১৫ মিলিয়ন ডলার 
১৯৪৭ সালে টেস্টাইল শিল্প  ৫০৮  টা  ৩৫০ টা  
১৯৭০  সালে টেস্টাইল শিল্প ৪২ টা   ৭০০০০ টা  
চিনি উৎপাদন বৃদ্ধি   ৪%  ৩০০০%  
সিমেন্ট উৎপাদন বৃদ্ধি   ২%  ৫০০%  
চালের দাম   ১ বস্তা ৫০ রুপি   ১ বস্তা ১৮ রুপি  
কৃষি বীজ পেত  ১০%  ৯০%  
ট্রাক্টর   ৯%  ৯১%  
সিভিল সার্ভিসে   ১৬%   ৮৪%  
ফরেন সার্ভিসে   ১৫%   ৮৫ % 
আর্মিতে  ৪%   ৯৬%  
বিদ্যুৎ   ১৭ %  ৮৩%  
শিক্ষায় বরাদ্ধ    ১১%    ৮৯%  
স্কলারশিপ    ১%    ৯৯%  
স্বাস্থ্য    ২০ বছরে বেড়েছে ৬ টা বেড    ২০ বছরে বেড়েছে ২৬০০ বেড  

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ; পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের তুলনা মূলক চিত্র ১৯৭১- ২০১৮

২০১৮ সালে পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ
ঘটনা প্রবাহ  বাংলাদেশ পাকিস্তান 
আয়তন ২৪৬০৩৭ বর্গ কিঃমিঃ  ৮৮১৯১৩ বর্গ কিঃমিঃ  
জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৮ লক্ষ  ২০ কোটি ৭৮ লক্ষ  
আয়তনে বিশ্বে অবস্থান ৭৮ / ৯৩ ৩৬ 
জনসংখ্যায় বিশ্বে অবস্থান  ৭  ৫ 
পুরুষ - মহিলা অনুপাত   ১০০.৩ঃ ১০০  ১০০.৫ঃ১০০ 
 জনসংখ্যার ঘনত্ব   ১০৯০ জন ( প্রতি বর্গ কিঃমিঃ )  ২৫১ জন ( প্রতি বর্গ কিঃমিঃ)
 শিশু মৃত্যু হার ( এক বছরের নিচে )  ২৮ জন ( প্রতি হাজারে )   ৭৮ জন ( প্রতি হাজারে )  
 প্রত্যাশিত গড় আয়ু  ৭১.৬ বছর  ৬০ বছর  
স্বাক্ষরতার হার   ৭২%  ৫৮%
দারিদ্র সীমা   ২৪.৩%  ৫১% 
অতি দারিদ্র   ১২.৯%  ২৯% 
 GDP প্রবৃদ্ধির হার  ৭.৬৫ %   ৪.৭০%  
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার  ১.৩৭%  ২.১০% 
সরকারী হাসপাতালে শয্যা প্রতি জনসংখ্যা  ১৬৫২ জন 
স্থূল শিশুর জন্মহার ও মৃত্যুহার   ১৮.৭ / ৫.১ [ প্রতি হাজারে ]    x
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যা   ২০৩৯ জন  
স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারের হার   ৭৫ %   x
চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয়  ১৭৫২ মার্কিন ডলার   ১৬৪১ মার্কিন ডলার 
চলতি মূল্যে মাথাপিছু GDP  ১৬৭৭ মার্কিন ডলার   ১৪৬৮ মার্কিন ডলার 
GDP তে কৃষি ঃ শিল্পঃ সেবা  ১৪.১০% ঃ ৩৩.৭১% ঃ ৫২.১৮% 
মূল্যস্ফীতি   ৫.৮৩%  x
মোট ব্যাংক   ৫৭ টি    ৮২ টি 
সরকারী বানিজ্যিক ব্যাংক   ৬ টি   ৬ টি 
বিশেষায়িত ব্যাংক   ২ টি  ২ টি 
বেসরকারি  বানিজ্যিক ব্যাংক ৪০ টি  ৩৮ টি 
বিদেশী  বানিজ্যিক ব্যাংক ৯ টি  ৭ টি 
ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান   ৩৪ টি   ১৯ টি  
মোট বীমা  ৭৮ টি  
সরকারী জীবন বীমা  ১ টি  
সরকারী সাধারন বীমা  ১ টি 
বিদেশী বীমা   ১ টি  
সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে   সৌদি আরব থেকে   x
সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়   যুক্তরাষ্ট্রে  
সবচেয়ে আমদানি হয়  চীন থেকে  x
মেডিসিন রপ্তানি করা হয়   ১৪৫ দেশে 
বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা   ১৩৮৪৬ মেঃওঃ  
আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র  ২৭ টি  x
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাথমিক মজুদ   ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট 
প্রাকৃতিক গ্যাসের উত্তোলনযোগ্য মজুদ  ২৭.৭৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট 
মোবাইল গ্রাহক  ১৪.৭ কোটি  
ইন্টারনেট গ্রাহক   ৮.০৮ কোটি 
বেশি সাহায্য প্রদানকারী দেশ  জাপান   x
বেশি সাহায্যকারী সংস্থা  IDA  x
১ মার্কিন ডলার  ৮০ টাকা  ১২৫ পাকিস্তানি রুপি  
সর্বশেষ বাজেট   ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ( ৪৮ তম বাজেট )  
প্রথম বাজেট   ৭৮৬ কোটি টাকা   x
পোশাক শিল্পে অবস্থান  ২য় 
 ক্রিকেট- ওয়ানডেঃটেস্টঃT20   ৭ঃ৯ঃ১০  ৫ঃ৭ঃ১

আরো পড়ুনঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস ও হিন্দুদের অবদান নিয়ে কিছু না বলা কথা

Monday, April 23, 2018

আইয়ামে জাহেলিয়াত বনাম আধুনিক বিশ্ব

April 23, 2018 0

আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগ কি?

আমাদের নবী ( বিশ্ব নবী ) হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্মের পূর্বের ও ঈসা (আঃ) এর মৃত্যুর পরের সময়টাকে পণ্ডিত মহাশয়েরা আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগ মানে অন্ধকারাছন্ন বা কুসংস্কারাছন্ন যুগ নামে অবিহিত করেছেন | কারণ হিসেবে তাঁরা বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেছেন - ১* মেয়েদেরকে জীবন্ত অবস্থায় মাটির গর্তে পুতে ফেলা | ২* প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত থাকা | ৩* সুদ কে সামাজিক ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া | ৪* মদ সহ সকল নেশা জাতীয় দ্রব্য কে স্বাস্থ্যকর দ্রব্যর মতই একত্রে গ্রহণ করা এবং আরও অনেক অসামাজিক বিষয় কে তৎকালীন মানুষেরা সামাজিক ভাবেই গ্রহণ করত |



আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের মানুষ আল্লাহ বা সৃষ্টি কর্তাকে মানতনা একথা ঠিক নয়, সে সময়ে মানুষ দেবদেবীর পূজার মাধ্যমে আল্লার কাছে তাঁদের দাবী - দাওয়া পাঠাত । এই বিষয়ে আল্লাহ পাক কুরআনে বলেন-" তারা বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করত এই ভেবে যে, এই দেবদেবী গুলো আল্লহর কাছে তাঁদের হয়ে সুপারিশ করবে এবং তাদের দুনিয়াবী বিভিন্ন স্বার্থ হাসিলে সহায়ক হবে ( ইউনুসঃ১৮) " এই থেকে প্রমাণ হয় যে তৎকালীন আরবরা সৃষ্টি কর্তা কে মানত ।


তৎকালীন আরবরা সামাজিক ভাবে অনেক খারাপ অবস্থায় ছিল , তাদের মনে - মায়া-মমতা , ভ্রাতৃত্ববোধ , সহানুভূতি এবং পাপ-পূন্যবোধ ছিলনা । তারা যে কোন খারাপ কাজ করে প্রকাশ্য প্রচার করতে গর্ববোধ করত । তারা যেকোন তুচ্ছ ঘঠনাকে কেন্দ্র করে মাসের পর মসা যুদ্ধ চালাত । মানুষ হত্যা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার । তারা যুদ্ধের পরে মৃত ব্যাক্তির লাশের নাক , কান গলা কেট বিকৃত করে উল্লাস করত ।


আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগ
আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগ

আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগে মেয়েদেরকে জীবন্ত অবস্থায় মাটির গর্তে পুতে ফেলত আর আধুনিক বিশ্ব কি করে

এখন আসুন আধুনিক যুগে কি হয় হালকা -পাতলা আলোকপাত করি- ১* আমরা জানি স্বামী - স্ত্রীর মধুর মিলনের মাধ্যমেই সন্তান এই পৃথিবীর আলো দেখে ( যদি আল্লাহ তাদের কপালে সন্তান ভাগ্য দিয়ে থাকেন তবে ! ) | আজকাল এই স্বামীরা সন্তান না নেওয়ার জন্য কনডম ব্যবহার করেন | যারা কনডম ব্যবহার করেন না তাদের স্ত্রীরা পিল ( মায়া বড়ি ) খেয়ে থাকেন সন্তান গর্ভে না আসার জন্য | তাঁরা কত বড় হতভাগা যারা জানতেই পারলনা মহান আল্লাহ তাদের কপালে সন্তান লাভের সুভাগ্য দিয়েছেকিনা ? অবশ্য তারা ব্যতীত যারা বিয়ের আগেই দৈহিক মিলনে লিপ্ত হয়েছে ( নাওযুবিল্লা ) | যদি কোন কারনে বা আল্লাহর কুদরতে তাদের ( স্বামী - স্ত্রীর ) গ্রহণ করা পদ্ধতি মিস্টেক করে সন্তান গর্ভে এসে যায় তাহলে পাকিস্তানি ট্যাবলেট খেয়ে গর্ভপাত করান ( বাংলাদেশীরা ) |



এর পরও যদি সন্তান গর্ভে বেচে যায় তখন তার ( সন্তানের ) পিতা - মাতারা হাসপাতালে গিয়ে অস্রপচারের মাধ্যমে গর্ভপাত করান , যে পদ্ধতি কে আধুনিক বিশ্ব বলে Abortion | এই পদ্ধতিতে সন্তান হত্যা সামাজিক এমন কি আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত | ক্লিনিক গুলো রমরমা ব্যবসা করে মানব হত্যা করে |আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগে শুধু মাত্র কন্যা সন্তান হত্যা করা হত আর আধুনিক যুগে পত্র - কন্যা উভয় কে হত্যা করা হচ্ছে ? এই যুগের নাম কি হতে পারে একটু বলবেন কি ?



আধুনিকবিশ্বে ব্যভিচার কিভাবে হয়

এবার আসা যাক ব্যভিচার প্রশ্নে | অপরাধ বিশেষজ্ঞ বা মনোবিজ্ঞানীদের মতে পৃথিবীতে যত মার্ডার হয় তার বেশির ভাগের কারন হলো ব্যভিচার | এই ব্যভিচারের কারনে বেশি হত্যা হয় এশিয়া মহাদেশে কারন ইউরোপ - আমেরিকায় ব্যভিচারের নাম হলো - Live Together | ইউরোপ - আমেরিকানরা বিয়ে না করেই সহবাস করতে পারে ;সন্তান জন্ম দিতে পারে এমনকি মারতেও পারে সকলের মত | এশিয়াতে এ সুবিধা নেই তাই ব্যভিচার করে ধরা পরলে কানাঘুষা হয় , হাতাহাতি হয় , মারামারি হয় এমনকি মার্ডার হয় | এর ফলে আদালত পাড়ার বাসিন্দারা বেশ কালো টাকা হাতিয়ে সাদা করতে পারেন | কারন অবৈধ বড়লোকের বখাটে ছেলেরাই হত্যা ও ধর্ষণের সাথে জড়িত থাকে তাই সমাজ সুবিচার পাইনা | সুবিচার আজ কাল টাকার ব্যগে বন্দি |



আমেরিকান সেনারা দল বেঁধে ভিয়েতনামের নারীদের ধর্ষণ করেছে , পাকিস্তানী সেনারা বাঙ্গালী নারীদের ধর্ষণ করেছে গণহারে , মায়ানমারের সেনা ও সাধারন পাবলিক মিলে গণহারে রোহিঙ্গা নারীদের ধর্ষণ ও পাশবিক অত্যাচার করতেছে | আমাদের দেশে ব্যভিচার করে ধরা পরলে তার (ব্যভিচারীর) অভিভাবকরা প্রায়শঃ বলেন " বয়সের চুরি সবাই করে " | তাহলে ব্যভিচার কি আমাদের দেশে সামাজিক ভাবে স্বীকৃত নয় ? | অবাধ ব্যভিচারের নাম আপনি কি দিবেন একটু জানাবেন প্লিজ


|

কিভাবে আপনি সুদ খান জানেন কি ?

সুদ নিয়ে আলোচনা করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা তবু একটুখানি অবতারণা করব |

যতই হোন মুল্লা - মুন্সী , পাদ্রী -পুরোহিত সুদ আপনাকে ভক্ষণ করিতেই হইবে |
আধুনিক দুনিয়া সুদের দুনিয়া | আপনি না চাইলেও আপনাকে সুদ নিতে হবে ; দিতে হবে | আমরা এখন সরল অঙ্কে পরিণত হয়েছি - বন্ধনীর কাজ শেষ না করে যোগ - বিয়োগ করতে পারবনা এই দুনিয়াকে আমরা আধুনিক বিশ্ব বলি ! কত মহান ব্যক্তি এই পৃথিবীতে আছেন , কত ধর্ম আর কত শত ধর্ম গুরু , আছে কত সহস্র বিদ্যালয় - মহাবিদ্যালয় আর বিশ্ববিদ্যালয় আরও আছে অজস্র মসজিদ মন্দির গির্জা - তবু এই বিশ্ব আজ স্টেফিন হকিং এর কৃষ্ণ গ্রহে হারিয়ে গেছে |
আজকের আধুনিক বিশ্ব আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের চাইতে খারাপ পর্যায়ে চলে গেছে ।
আমি এই যুগের নাম দিলাম - কৃষ্ণকাল |

আরো পড়ুনঃ

বাপ-দাদার ধর্মই প্রকৃত সত্য ধর্ম নয় , ইসলাম ধর্ম সত্য কি ?

বাপ-দাদার ধর্মই প্রকৃত সত্য ধর্ম নয় , ইসলাম ধর্ম সত্য কি ?

April 23, 2018 0

ইসলাম ধর্মের এই করুনাবস্থার জন্য কে দায়ী ? বা ইসলাম কি সত্য ধর্ম

পরম করুণাময় আল্লাহ কে সাক্ষী রেখে শুরু করছি। আমরা মুসলিমরা আজ চরম সংকটময় সময় অতিবাহিত করছি। ইসলাম ধর্ম আজ ঘৃণার জোয়ারে স্রোত মান। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই ইসলাম ধর্ম কে অবমাননা করা হচ্ছে ; অধিকাংশ দেশেই ইসলাম ধর্ম আক্রমণের শিকার হচ্ছে । শুধু যে মুসলিমদের উপর – শারীরিক,মানসিক ও অর্থনৈতিক অত্যাচার হচ্ছে তা নয় ; পত্র-পত্রিকা, লিফলেট , হ্যান্ডবিল, বই-পুস্তক, টিভি চ্যানেল ও ইন্টারনেট এর মাধ্যমে ইসলাম বিরোধী তত্ত্ব ও মনগড়া বিষোদ্গার প্রচার করে ইসলামের মূলে আঘাত করা হচ্ছে । মানুষের মনে প্রশ্ন জাগছে - আসলেই ইসলাম কি সত্য ধর্ম?


সত্য ধর্ম বা ইসলাম সত্য ধর্ম কি?
বাপ দাদার ধর্মই সত্য ধর্ম নয়

পৃথিবীর কোথাও কোন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হলে মোড়ল রাষ্ট্রের হর্তা – কর্তারা এর হোতা হিসেবে চিহ্নিত করছে –মুসলিমদেরকে । মিডিয়া গুলো বড় বড় শিরোনামে ইসলামি সন্ত্রাসবাদ প্রচার করছে। এতেকরে ইসলাম ধর্ম কলঙ্কিত হচ্ছে । অন্যান্য ধর্মানুসারীদের কাছে ইসলাম ধর্ম মানে হচ্ছে – অশান্তি, উগ্র, সন্ত্রাসী, মৌলবাদী ও বোমাবাজি । ইসলাম ধর্মের এই করুনাবস্তার জন্য যতটুকু ইহুদি – খৃষ্টানরা দায়ী তার চেয়ে বেশি দায়ী- ইসলাম ধর্মের নেতারা। আমার উপর রাগ করবেননা পাঠক । আমি হিন্দু, খৃষ্টান বা ইহুদী নয়; আমি একজন সাধারণ মুসলমান । কলেমা, নামাজ, রোযা,হজ্জ ও যাকাতে আমার পূর্ণ বিশ্বাস আছে। আমি সত্যই বলছি- ইসলাম ধর্মের সর্বনাশ ইহুদি- খৃষ্টানদের চাইতে মুসলমান নেতারাই বেশি করেছে;করছে। আমার কথার সত্যতা পেতে হলে চলুন পেছনে ফিরে যাই:-
আমি আলোচনা শুরু করছি কলেমা দিয়ে। অন্য ধর্মাবলম্বী কোন নর-নারী যদি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে চাই তাহলে মনে- প্রাণে বিশ্বাস করে পাঠ করতে হবে-“ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদূর রাসূলুল্লাহ”। অর্থাৎ আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই এবং হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) আল্লাহর বান্দা ও রাসূল। মক্কার মূর্তি পূজারিরা, তৎকালীন ইহুদি- খৃষ্টানরা এই কলেমাকে সহজে গ্রহণ করতে চাইনি এবং এখনও সহজে গ্রহণ করতে পারেনা; তাদের কষ্ট লাগে,আঘাত লাগে বাপ- দাদার ধর্মে ।



ধর্ম ত্যাগ করা যায়না ! বা ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করা যায় কি?

বাপ-দাদার ধর্মের শেকড়ে আঁকড়ে থাকার নামই- গোঁড়ামি । মানুষ মাত্রই মনে করে-“জন্ম সূত্রে যে ধর্ম পাওয়া যায় তাই সঠিক ; অন্য ধর্ম গুলি মিথ্যা । একটু ভেবে দেখুন- আসলে কি তা ঠিক ?। যদি ঠিক ই হয় তাহলে আমরা কিভাবে মুসলমান হলাম ?। আমাদের পূর্বপুরুষ যারা (যাদের কাছ থেকে ইসলাম ধর্ম জন্ম সূত্রে লাভ করে আসছি) তাঁরা কি জন্মানোর সময় মুসলমান ছিল নাকি তাঁরা ইসলামের উদারতা, মহানুভবতা আর শান্তি – শৃঙ্খলা দেখে, মুগ্ধ হয়ে অন্য ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছিল ?। যদি শেষোক্ত কথাটি সঠিক হয় তাহলে আমার সাথে আপনারা নিশ্চয় একমত হবেন যে- বাপ-দাদার ধর্ম প্রকৃত সত্য ধর্ম নয় ।



যুগে যুগে আল্লাহতালা ধর্ম কে বিভিন্ন নামে আখ্যায়িত করেছেন। বাপ-দাদার ধর্ম কে সত্য মনে করেই – ইহুদি সম্প্রদায়ের সন্তানরা ইহুদি থাকছে,হিন্দু সম্প্রদায়ের সন্তানরা হিন্দু থাকছে আর মুসলিম সম্প্রদায়ের সন্তানরা মুসলিম থাকছে। প্রত্যেকেই নিজের ধর্ম কে সত্য মনে করছে। এরকম মনে করার কারণ কি? কারণ একটাই - তারা (সন্তানরা ) সাবালক বা স্বীয় বুদ্ধি সম্পন্ন হওয়ার আগেই বাপ-দাদার ধর্মে নিক্ষিপ্ত হন বা বলা যেতে পারে জন্ম সূত্রে বাপ-দাদার ধর্ম লাভ করেন। সন্তানরা ছোট থেকে বড় হয় জন্ম সূত্রে লাভ করা ধর্মের নিয়ম – কানুনে; তাই বড় হয়ে বুদ্ধি সম্পন্ন হওয়ার পরেও এমনকি বুদ্ধিজীবী হলেও ধর্মের মায়া ছাড়তে পারেনা; ধর্মীয় গোঁড়ামির ঊর্ধ্বে উঠতে পারেনা।



ধর্মীয় গোঁড়ামি বা ইসলাম ধর্ম

এই ধর্মীয় গোঁড়ামি পরবর্তীতে মৌলবাদে রূপ নেয়, যা জন্মায়-ধর্মের নামে সন্ত্রাস; ধর্মকে করে কলঙ্কিত। নিজ নিজ ধর্মের অনুসারীরা নিজ নিজ ধর্মকে শ্রেষ্ঠ ও সত্য মনে করার কারণেই সজ্ঞাত সৃষ্টি হয়। তাই ধর্মীয় মৌলবাদের মূলোৎপাটনের জন্য ভিন্ন ধর্মানুসারীদের প্রতি সহানুভূতি ও সত্য গ্রহণের অধিকার থাকতে হবে। যে অধিকার হবে প্রথম এবং প্রধান অধিকার।ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম হলেও মোল্লাদের বাড়া বাড়ি ও অজ্ঞতার কারণে বিশ্ব বাসী মুসলমানদের কে জঙ্গি ও বন্য হিসেবে জানে ।



বাপ-দাদার ধর্ম যে প্রকৃত সত্য ধর্ম নয় একথা অন্য ধর্মানুসারীরা না মানলেও মুসলমানরা মানে; আর যে মানেনা সে তৎকালীন মূর্তি পূজারী বা ইহুদি – খৃষ্টানদের সমতুল্য । একমাত্র মুসলমানরাই জানে অন্য ধর্মের কত-লোক ইসলাম ধর্মে এসে শান্তি খুঁজে। যদি বলি (নাউযুবিল্লাহ) হযরত মুসা(আঃ) মিথ্যা বা ভণ্ড তাহলে আমার ধর্মই থাকবেনা; কারণ মহা-গ্রন্থ আল-কুরানে যত নবী- রাসূলের নাম রয়েছে তাঁরা সবাই সত্য নবী এবং আল্লাহর প্রিয় পাত্র। যদি তাই হয় তাহলে ইহুদীদেরকে মানে মুসা(আঃ) এর অনুসারীদেরকে আমাদের মোল্লা – মৌলানারা কাফের বলে কিভাবে?


ইহুদীদেরকে মানে মুসা(আঃ) এর অনুসারীদেরকে আমাদের মোল্লা – মৌলানারা কাফের বলে কিভাবে?



যদি আমাদের মোল্লা- মৌলানাদের কথা সত্য হয়; তাহলে কুরআনের কথা মিথ্যা (নাউজুবিল্লা) । কুরআনের কথা মিথ্যা হতে পারেনা। ইহুদীরাই মিথ্যা হয়ে গেছে, ,তারা একসময় সত্য ও সঠিক পথের অনুসারী ছিল;তারা তাদের নবী হযরত মুসা(আঃ) এর ভবিষ্যৎ বানী অনুযায়ী ঈসা(আঃ)কে মান্য করেনি, তারা সত্যকে পায়ে ঠেলে মিথ্যা কে আঁকড়ে ধরে আছে। ইহুদিরা বাপ-দাদার ধর্মকে সত্য মনে করছে আর আল্লাহ প্রিয় নবী হযরত ঈসা (আঃ ) কে ভণ্ড, প্রতারক ও জাদুকর বলে গালাগালি দিচ্ছে । হযরত ঈসা (আঃ) কে বেশি অপদস্থ করেছে তৎকালীন ইহুদি ধর্মের হর্তা – কর্তারা । ইহুদি মৌলানারা ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা ( একত্ববাদ ) ভুলে গিয়ে সত্য নবী হযরত ঈসা (আঃ) এর বিরোধিতা করেছে; এখনও করছে।



ইহুদি ধর্মের নেতারা সাধারণ ইহুদিদেরকে বাপ-দাদার ধর্মে আঁকড়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। যারা এ নির্দেশ উপেক্ষা করে, অমান্য করে হযরত ঈসা (আঃ) কে মান্য করেছে,অনুসরণ করেছে; তাদের উপর ইহুদি সমাজপতিরা চালিয়েছে- শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক নির্যাতন। যা ছিল সত্যর উপর জুলুম। এই অত্যাচারের ফল ভোগ করেছে ইহুদিরা; এক হিটলারই বুঝিয়ে দিয়েছে অত্যাচার কত প্রকার ও কি কি। একটি আঘাত সহস্র আঘাত হয়ে ফিরে এসেছে ইহুদীদের উপর। যা ছিল পূর্বসূরিদের পাপের ফল বা মৌলবাদের বিচার। আর একারণেই আমাদের মোল্লা – মৌলানারা তাদেরকে কাফের বলতে পারে।



ইহুদি সমাজপতিদের রক্তচক্ষু কে ভয় না করে যারা বাপ-দাদার ধর্ম কে পায়ে ঠেলে হযরত মুসা (আঃ) এর ভবিষ্যৎ বানীর সত্যতা উপলব্ধি করে হযরত ঈসা (আঃ) এর ধর্মে দীক্ষিত হয়েছিল – তারাই মূলত প্রকৃত ইহুদি ও সত্যিকারের মুসা ভক্ত।



আর যারা হযরত ঈসা (আঃ) কে অনুসরণ না করে হযরত মুসা (আঃ) এর প্রেমিক, আল্লাহ প্রেমিক হতে চেয়েছিল তারা আসলে ভণ্ড, কপট ও সমাজ-পূজারি। তারা ধর্মের নামে বিজনেস শুরু করে দিয়েছে; তাই তারা আল্লাহর সত্যি নবী হযরত ঈসা (আঃ) কে চিনতে পারেনি অথবা চিনেও না চেনার ভান করছে- ধর্ম বিজনেস এ লস হবে বলে। আজও তারা হযরত ঈসা (আঃ) কে গালাগালি করে। খ্রিস্টানদেরকে তারা নাসারা নামে ডেকে অপমান করে।


কেন অন্য ধর্মাবলম্বীরা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল ?

আর যারা ইহুদি ধর্ম ত্যাগ করে খ্রিষ্টীয় ধর্ম গ্রহণ করেছিল, তারা জীবন্ত খোদার সত্য নবী কে মেনে ; সত্য ধর্মের অমৃত গ্রহণ করেছে। দুনিয়াবি লোভ- লালসা তাদেরকে আকৃষ্ট করেনি ; ইহুদিদের সব অত্যাচার তারা সহ্য করেছে খোদার প্রেমে মশগুল হয়ে। এখন আপনারা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন- বাপ- দাদার ধর্মই প্রকৃত সত্য ধর্ম নয়; সত্য ধর্ম হলো – কালের স্রোতধারায় আগত – যা পূর্বের নবীর ভবিষ্যৎ বানীর সত্যতার নিদর্শন। এখন নিশ্চয় বুঝতে পারছেন- মুসা (আঃ) এর মতেই ইহুদিরা অচল ধর্ম পালন করছে। এ ধর্মে পুণ্য শূন্য হলেও ধর্ম নিয়ে যারা বিজনেস করছেন তাদের পকেটে ঠিকি লাভ ঢুকতেছে। আর বাপ-দাদার ধর্মকে টিকিয়ে রাখতে নানান রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে সাধারণ ইহুদিদেরকে মিথ্যা ধর্মের গোলাম বানিয়ে রাখছে।



তাহলে আমরা খৃষ্টানদেরকে কাফের বলি কেন? খৃষ্টানদেরকে আমরা কাফের বলি এজন্য যে- তারা আল্লাহর একত্ববাদ ভুলে ত্রিত্ববাদে লিপ্ত হয়ে গেছে; দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে ধর্মকে নোংরা করে ফেলেছে।



তারাও ইহুদীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করেছে। তারা হযরত ঈসা (আঃ) এর শিক্ষা, আদেশ, উপদেশ, ও নির্দেশ ভূলেগিয়ে দুনিয়াবি সুখে লিপ্ত হয়ে ইহুদিদের মতো অন্ধ হয়ে গেছে; সত্য হতে তারা যোজন-যোজন মাইল দূরে সরে গেছে। তারা তাদের নবীর আদেশ ও ভবিষ্যৎ বানীর সত্যতা যাচাই না করেই আল্লাহর প্রিয় রাসূল হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর কঠোর বিরোধিতা করেছে।



ইসলাম ধর্মের বিরোধিতায় নেতৃত্ব দিয়েছে ইহুদি সম্প্রদায়ের প্রধানরা, খৃষ্টান পাদ্রী ও পৌত্তলিক নেতারা । তারা হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও তাঁর অনুসারীদের উপর কঠোর অত্যাচার চালিয়ে বাপ-দাদার ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখতে চেয়েছিল কিন্তু বিধি বাম। ইসলাম ধর্মের আলো ছড়িয়ে সারা জাহানে। দলে দলে লোক বাপ-দাদার ধর্ম ত্যাগ করে যুগের সত্য ধর্ম ইসলামের অমৃত স্বাদ গ্রহণ করল। এখানেও প্রমাণিত, বাপ-দাদার ধর্মই প্রকৃত সত্য ধর্ম নয়; কালের স্রোতধারায় আগত ধর্মই সত্য। এ ধর্মকে চেনার নামই মুত্তাকী, মুমিন।


সত্য ধর্মের লক্ষণঃ

  • মিথ্যা ধর্মের নেতারা ও সমাজ-পূজারীরা এর বিরোধিতা করে।
  • ধর্ম গ্রহণে বাধা প্রধান করে।
  • শারীরিক, মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক অত্যাচার

এখন আমাদের উপর দায়িত্ব বর্তেছে যুগের সত্য ধর্মকে চেনার। আমরা কত দল-উপদলে বিভক্ত। কোন দল সঠিক আমরা সাধারণ মুসলমানরা কিভাবে বুঝব? শিয়া, সুন্নি, হাম্বলি, মালেকি, হানাফি আরও কত দল।

কোন দল সঠিক কে আমাদের বলে দিবে? কে আমাদের দেখাবে সঠিক পথ তার প্রতীক্ষায় রইলাম

আপনার পছন্দের আরো একটি পোস্ট পড়ুন:



আইয়ামে জাহেলিয়াত বনাম আধুনিক বিশ্ব