New Gadgets, Smartphone and Software Review

Showing posts with label রাজনৈতিক. Show all posts
Showing posts with label রাজনৈতিক. Show all posts

Wednesday, December 11, 2019

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আমাদের অপ্রাপ্তির খাতা

December 11, 2019 0

১৯৭১ সালের মুক্তির সংগ্রাম বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধঃ

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

আচ্ছা আপনারাই বলুনতো - আমরা কি এই বাংলাদেশ ছেয়েছিলাম! এই বাংলাদেশের জন্যই কি ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী নিজেদের জীবন দিয়েছে! যদি কবর থেকে তুলে তাদেরকে প্রশ্ন করা হয় - আপনারা কি এই রকম বাংলাদেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, আমি নিশ্চিত তারা উত্তরে বলবে-

যদি জানতাম এই রকম বাংলাদেশ পাব, তাহলে নিজেদের জীবন কেন ; শরীরের একটা পশমও দিতাম না।
যে রকম ভাবে জীবিত মুক্তিযোদ্ধারা বলেন-
যদি জানতাম-বাংলাদেশের অবস্থা এই রকম হবে,তবে পাকিস্তানের গোলামী করাকেই নিয়তী মনে করে মেনে নিতাম।
আমাদের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকি বলেছেন-
আমাকে যৌবনে ফিরিয়ে দিন , বাংলাদেশ কে মুক্ত ও সবার বসবাসের উপযোগী করে দিব।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বাঙ্গালীকে মুক্তি দিতে পারেনি তবে ভাগ করতে পেরেছে; যে রকম ভাবে ভাগ করেছিল - জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্ব। জনাব জিন্নাহ বাঙ্গালীকে ধর্ম দিয়ে দু'ভাগ করেছেন আর শেখ মুজিবের মুক্তিযুদ্ধ বাঙ্গালীকে- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি হিসেবে ভাগ করে ফেলেছে। বাঙ্গালীকে শুধু ভাগ করাই হচ্ছে, বাঙ্গালীর ধর্মে ভাগ- হিন্দু-মুসলমান;মুসলমানের ধর্মে ভাগ-শিয়া-সুন্নি-আহমদী-কাদিয়ানী;মুক্তিযুদ্ধের ভাগ-মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের শক্তি। আমরা আর কত ভাগ হব? সেই কবে ফিরিঙ্গীরা আমাদের ওপর ভাগ কর - শাসন কর নীতি প্রয়োগ করেছিল ; এখনও তা বলবদ আছে- থামার নামই নিচ্ছেনা। তাঁদের ( ইংরেজদের) নীতির কত শক্তি! কবে আমরা ভাগ হওয়া বন্ধ করতে পারব? আপনাদের মনে কি কখনো প্রশ্ন জাগে যে - আমরা স্বাধীনতার আগে ভালো ছিলাম নাকি এখন ভালো আছি ? আমার মনে কিন্তু প্রায় সময় এই প্রশ্ন ঘোরপাক করে। সেই থেকে চেষ্টা করছি এই সমীকরণটা মেলাতে কিন্তু সাহস পাচ্ছিনা পাছে যদি- স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি আমাকে বিপক্ষ মনে করে অথবা বিপক্ষের শক্তি যদি আমাকে পক্ষের শক্তি মনে করে, তবেতো আর রেহাই নেই । একপক্ষ আমাকে বলবে নাস্তিক আবার অন্য পক্ষ বলবে রাজাকার - যাই কই বলেন? তবু সমীকরণটা মিলাতে হবে- কারণ এই রকম বাংলাদেশের জন্য ৩০ লাখ বাঙ্গালী প্রাণ দেননি; তাঁদের আত্মত্যাগ যদি বিফলে যায় তবে আমরা শান্তিতে থাকব কি করে?

১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণঃ

১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ দীর্ঘ ২৩ বছর পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক শ্রেনী নিরীহ বাঙ্গালীদের উপর অবর্ণনীয় নিপীড়ন, নির্যাতন ও অত্যাচার চালিয়েছ। ইংরেজরা যদি বাঙ্গালীদের ওপর এরকম অত্যাচার চালাতো, আমরা মেনেই নিতাম- কারণ তাঁদের ধর্ম, বর্ণ ও সংস্কৃতি আমাদের চেয়ে আলাদা; কিন্তু আমাদেরকে অত্যাচার করেছে কারা? আমাদের জাত ভাই - পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠী। একবার ভেবে দেখুন কেন ইংরেজরা বাঙ্গালীদের উপর অত্যাচার করতে পারেনি বা করেনি? কেন তারা তাদের ইংরেজী ভাষা আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়নি? কারণ - তখন বাঙ্গালী একা ছিলনা , বাঙ্গালী ছিল ভারত বর্ষের অংশ। তখন ভারত বর্ষের যেকোন স্থানে অত্যাচার, নিপীড়ন হলে সবাই মিলে একযোগে প্রতিবাদ করতো ; তখন প্রতিবাদ করার আগে ক্ষতিয়ে দেখতনা অত্যাচার কার ওপর হচ্ছে - হিন্দুর ওপর,না মুসলমানের ওপর ; কারণ তখন সবাই ভারত বর্ষের নাগরিক ছিলাম এবং ভারত বর্ষকে ইংরেজদের হাত মুক্ত করাই একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল। তারপর এলো ভয়াবহ ১৯৪৭ ! ।

ভয়াবহ ১৯৪৭

ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ও বড় আকারের দেশান্তরের ঘঠনা গঠল ১৯৪৭ সালে। জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্বের মাধ্যমে ইংরেজরা ভারত বর্ষকে দু'ভাগে ভাগ করে ফেলল - হিন্দুস্থান আর পাকিস্থান। পাকিস্থান হলো মুসলমানদের দেশ আর হিন্দুস্থান হলো হিন্দুদের দেশ। সেই থেকে ভারত উপমহাদেশে ধর্মীয় রাজনীতির সূচনা আর আমাদের প্রিয় বঙ্গ দু'ভাগে ভাগ হলো - পূর্ব বঙ্গ ও পশ্চিম বঙ্গ নামে । পূর্ব বঙ্গের হিন্দুরা নিজের বাপ-ঠাকুরের ভিটে মাটি ছেড়ে পালিয়ে গেল পশ্চিম বঙ্গে আর পশ্চিম বঙ্গের মুসলমানরা নিজেদের চৌদ্দ পুরুষের ভিটে মাটি , ব্যাবসা ফেলে চলে এলো পূর্ব বঙ্গে । একবার মনে মনে ভাবুনতো আপনাকে যদি এরকম পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয় - কেমন লাগবে আপনার? তারা কি ধর্মকে ভালোবেসে দেশ ত্যাগ করেছে না ঘৃনা করে? এদেশ ছেড়ে যে হিন্দুরা পশ্চিম বঙ্গে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে তাদের মনে কি মুসলমানদের জন্য একটুও সহানুভূতি আছে? আর যে মুসলমানরা বাধ্য হয়ে পশ্চিম বঙ্গ থেক পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে তাদের মনে কি হিন্দুদের জন্য একটুও সহানুভূতি আছে না থাকার কথা ?

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কিভাবে বি এন পি'তে এলেন?

December 11, 2019 0

কে এই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

আপনি জানেন কি কে এই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর? আপনি হয়তো ভাবছেন আমি পাগল হয়ে গেছি? নতুবা আমার মতিভ্রম হয়েছে। কে না জানে তিনি কে , তাঁর কি পরিচয়। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ( বি, এন, পি) এর মহাসচিব - এ কথা কে না জানে? এটুকু জেনে যারা সব জানার ভান করছেন তারা থাকেন , আর যারা আরো অধিক জানতে চান - আমার সাথে চলুন। তিনি একজন অসাধারণ প্রতিভাবান মানুষ এবং পরম সৌভাগ্যবানদের অন্যতম একজন । তিনি প্রথম জীবনে মাস্টারি পেশায় যুক্ত ছিলেন বলেই কিনা এমন ধীশক্তির অধিকারী হলেন, নাকি বাবা রহুল আমীনের কাছ থেকে জেনেটিক্যালি ঝুপ বুঝে কূপ মারা নীতি পেয়ে এমন শান্তশিষ্ট- সদালাপী- মৃদুভাষী হয়েছেন -তা বুঝতে পারিনা ; আমদের ফাটাকেস্ট মন্ত্রী উনাকে আর উনার দলকে কত রকমের উসকানিমূলক আর অপমানজনক কথা বলেছেন- কিন্তু মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের রা নেই; যেন উনি মূক,বধির ও কালা।


বি এন পি মহাসচিব লিস্ট যারা অবদান রেখেছে দলের দুঃসময়ে

December 11, 2019 1

বি এন পি মহাসচিব লিস্ট বা নামের তালিকা ।

আসুন জেনে নেই বি এন পি মহাসচিব লিস্ট বা নামের তালিকা যারা অবদান রেখেছে দলের সুসময়ে এবং দুঃসময়ে
  1. ডাঃ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
  2. কর্নেল (অব) মোস্তাফিজুর রহমান
  3. কে এম ওবায়দুর রহমান
  4. ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার
  5. আবদুল মান্নান ভুঁইয়া
  6. খন্দকার দেলোয়ার হোসেন
  7. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
বি এন পি মহাসচিব
বি এন পি মহাসচিব

আসুন জেনে নেই বি এন পি মহাসচিবরা কে কোথায় ছিলেন এবং বর্তমানে কোথায় আছেন

আমরা সবাই জানি যে, মেজর জিয়া কর্তৃক ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি ) গঠিত হয়।১৯৭৫ এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বহুদলীয় গণত্রন্ত্র মন্ত্র নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি ) গঠিত হয়। সেই থেকে হালনাগাদ সময় পর্যন্ত সাতজন বি এন পি মহাসচিব পদে আসীন হয়েছেন । বহুদলীয় গণত্রন্ত্র মন্ত্রের আড়ালে মেজর জিয়া এ দেশে ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতিকে পুনর্জীবিত করেছিলেন , যা মুক্তিযুদ্ধের পরিপন্থী ও স্পষ্ট ভাবে ৭২'রের সংবিধান লঙগণের সামিল। যাইহোক, এই বিষয়ে অন্যত্র আলোচনা হবে । এবার আলোচনায় ফিরে আসি-

ডাঃ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী

প্রতিষ্ঠা লগ্নে এই দলের মহাসচিবের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয় ডাঃ একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর উপর। যিনি পরবর্তীতে ২০০১ সালে চারদলীয় জোট সরকারের আনুকূল্যে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন কিন্তু দলের সাথে মতবিরোধ হওয়ায় এক বছরের কম সময়ের ব্যাবধানে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। সে বিদায় সুখকর ছিলনা । এর আগে তিনি মেজর জিয়ার শাসনামলে উপ-মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে পররাষ্ট্র মন্ত্রীসহ আরো অনেক গুরুত্ব পূর্ণ পদে আসীন হয়েছিলেন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে জিয়ার মাজারে ফুল না দেওয়ার অপরাধে উনাকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং পদত্যাগে বাধ্য করা হয়। বর্তমানে তিনি বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি। উনার দলের প্রতীক বা মার্কা হলো - কুলা।


কর্নেল (অব) মোস্তাফিজুর রহমান

তিনি হলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি )এর ২য় মহাসচিব। ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৬ পর্যন্ত কর্নেল (অব) মোস্তাফিজুর রহমান (বি এন পি )এর মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ১৯৫২ সালে তিনি ক্যাডেট হিসেবে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৭৩ সালে লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে আসীন হওয়ার পর সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করেন। তিনি প্রথমে জিয়াউর রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে বাগেরহাট-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট সাত্তার সাহেবের মন্ত্রীসভার বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি পরলোকগত। ১৯৯৬ সালের ৩০ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

কে এম ওবায়দুর রহমান

তিনি ছিলেন বি এন পি'র তৃতীয় মহাসচিব । কে এম ওবায়দুর রহমান ফরিদপুরের সন্তান । তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম , এ পাস করেন । ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নকালীন তিনি একবার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দু'বার ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ১৯৬২ - ৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন । ১৯৬৪ সালে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে ৭০ এর নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন । মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন । বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রী সভায় তিনি ডাক ও তার প্রতিমন্ত্রী ছিলেন । জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান নিহিত হয়ার পর তিনি খোন্দকার মুশতাকের সরকারে যোগ দেন । বিশেষভাবে উল্লেখ্য থাকে যে, তিনি জেল হত্যা মামলার অন্যতম আসামী ছিলেন । ২০০৪ সালে তিনি জেল হত্যা মামলা থেকে খালাস পান , তখন রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল বি এন পি'র নেতৃতাধীন চারদলীয় জোট সরকার । তিনি ১৯৭৮ সালে বি এন পি'তে যোগ দেন এবং ১৯৮৬ - ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত তিনি বি এন পি'র মহাসচিব ছিলেন । এরশাদের সামরিক সরকারে চাপে তিনি জনতা দল নামে একটি দল গঠন করে চাকা মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন । ২১শে মার্চ ২০০৭ সালে তিনি মারা যান। তার কন্যা শামা ওবায়েদ বি এন পি'র রাজনীতির সাথে জড়িত।

ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার

তিনি ছিলেন বি এন পি'র চতুর্থ মহাসচিব । ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার জামালপুরের সন্তান । তার বাবা জনাব রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার জামালপুর জেলার মধ্যে একজন দানশীল ও ধার্মীক ব্যাক্তি ছিলেন। তিনি আইনজীবী হিসেবে পেশাদারী জীবন শুরু করলেও পরে বি এন পি'র রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন। ১৯৯৯ সালের ২২শে আগস্ট তিনি চিকিৎসার উদেশ্যে বিদেশে যাবার সময় বিমান বন্দরে মারা যান ।

আবদুল মান্নান ভুঁইয়া

তিনি ছিলেন বি এন পি'র পঞ্চম মহাসচিব । আবদুল মান্নান ভুঁইয়া ছিলেন বাম রাজনীতির পরিচিত মুখ । তিনি ছাত্র ইউনিয়নের কর্মী এবং নেতা ছিলেন । পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের ( মেনন ) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এই আবদুল মান্নান ভুঁইয়া । ছাত্র জীবন শেষে তিনি মাওলানা ভাষানীর ন্যাপে যোগ দেন । ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমানের অনুরোধে তিনি বি এন পি তে যোগ দেন । ১৯৯৬ সালের ২৬ জুন খালেদা জিয়া তাকে বি এন পি মহাসচিব মনোনীত করেন । তিনি টানা ১১ বছর বি এন পি মহাসচিব ছিলেন । মাইনাস টু ফর্মূলার অন্যতম রুপকার হিসেবে তার নাম ছড়িয়ে পড়লে খালেদা জিয়া তাকে দল থেক বহিস্কার করে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন কে মহাসচিব মনোনীত করেন ।

খন্দকার দেলোয়ার হোসেন

তিনি ছিলেন ষষ্ঠ বি এন পি মহাসচিব । তিনি ছিলেন মাওলানা ভাষানীর ন্যাপের সক্রিয় কর্মী । ১৯৭৮ সালে তিনি জিয়াউর রহমানের জাগদলে যোগ দিয়ে দল পরিবর্তন করেন । ২০০৭ সালে তিনি বি এন পি'র মহাসচিব হন । ২০১১ সালের ১৬ মার্চ তিনি মারা যান ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

তিনি বি এন পি'র বর্তমান মহাসচিব । ছাত্র জীবনে তিনি বাম রাজনীতি করতেন । অধ্যাপনা দিয়ে পেশাগত জীবন শুরু করলেও বাবার অনুরোধে তিনি পূনরায় রাজনীতিতে ফিরে আসেন । ১৯৮৮ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ তিনি মহাসচিব নির্বাচিত হন কিন্তু আর আগেই তিনি ১৬ মার্চ ২০১১ থেকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর



Saturday, December 7, 2019

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের অবদান

December 07, 2019 2

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের অবদান ও মহান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস


বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের অবদান নিয়ে কিছু বলা প্রয়োজন মনে করছি কারণ জামাতী ইসলামী যখন বলে - "স্বাধীনতা এনেছি , স্বাধীনতা রাখব " তখন জাতি হিসেবে লজ্জিত হয় আর ব্যাক্তি হিসেবে, সাধারণ একজন বাংলাদেশী হিসেবে ভয়ে কুচকে যায় কারণ অতীত ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে - জামাতীরা মিথ্যাকে সত্য প্রমাণিত করতে পারে আর সত্য কে মিথ্যা । আমাদের মহান স্বাধীনতার ইতিহাস এক নিবন্ধনে লিখে শেষ করা যাবেনা । আর কিভাবে শেষ করব? সাত সাগর রক্তের বিনিময়ে আমরা যে স্বাধীনতা পেয়েছি তা এক নিবন্ধন কেন ১০০ কোটি নিবন্ধন লিখেও শেষ করা যাবেনা। এই দেশের সূর্যসন্তানদের আত্মকাহিনী লেখার কাগজ আর কলম পৃথিবীতে আছে বলে আমার মনে হয়না।আজকে নিবন্ধন লিখতে বসিনি ; প্রশ্নের উত্তর মিলাতে বসেছি। একটা প্রশ্ন আমার মনে প্রায়ঃ সময় খোঁচা মারে। সে প্রশ্নের উত্তর মেলানোর জন্য আজকে চেষ্টা করব। আমি যদি কোথাও ভুল করে থাকি,আপনারা কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস ও ১৯৭১ সালের কথা উঠলেই হিন্দুরা বুক ফুলিয়ে গর্ব করে বলে যে তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ; বেশি অবদান রেখেছে। কিন্তু আমি তাদের অবদান দেখতে পাচ্ছিনা। তারা ( হিন্দুরা ) অবদান না রেখেই, মিথ্যা বলে থাকে বলেই আমার বিশ্বাস। যে রকম বলে থাকে জামাতে ইসলামীরা । আমি কয়েকটা প্যারামিটারে তাদের অবদান মাপার চেষ্টা করছি ; আপনারাও আমাকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে পারেন। যারা ১৯৭১ সালে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছে তাদেরকে আমরা বীরশ্রেষ্ঠ ( ১ নং প্যারামিটার ) উপাধি দিয়েছি ; বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পাওয়া এই সাত জনের মধ্যে একজনও হিন্দু আছে কি? আসুন সাত জন বীরশ্রেষ্ঠের নাম জেনে নেই; তাহলে বিচার করতে আপনার সুবিধা হবে।




সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নামঃ

  1. মুন্সি আব্দুর রুউফ
  2. মোঃ মোস্তফা কামাল
  3. মতিউর রহমান
  4. নূর মোহাম্মদ শেখ
  5. হামিদুর রহমান
  6. রুহুল আমীন
  7. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর

উপরের সাতটি নামের মধ্যে একটি হিন্দু নাম আছে কি? যদি না থাকে তাহলে হিন্দুরা মিথ্যা কথা বলে বেশি ফায়দা লুটে নেয় কিভাবে? বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে হিন্দুদের অবদান আপনি কোথাও খুঁজে পেয়েছেন কি ?




১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংগ্রামে অবদান রাখার জন্য ৬৯ জনকে আমরা বীর উত্তম ( ২ নং প্যারামিটার ) খেতাব দিয়েছি। তাদের মধ্যে মাত্র একজন হিন্দু। তার নাম চিত্ত রঞ্জন দত্ত। ১৭৫ জনকে আমরা বীর বিক্রম ( ৩ নং প্যারামিটার ) খেতাব দিয়েছি; তাদের মধ্যে ২ জন হিন্দু। তারা হলেন জগতজ্যোতি দাস, নীলমণি সরকার। বীর প্রতীক ( ৪ নং প্যারামিটার ) খেতাব প্রাপ্ত ৪২৬ জনের মধ্যে মাত্র ২ জন হলেন হিন্দু। তারা হলেন - অলীক কুমার গুপ্ত ও দেবদাস বিশ্বাস ( খোকন ) । সেক্টর কমান্ডার ও সাবসেক্টর কমান্ডার ( ৫ নং প্যারামিটার ) হিসেবেও কারো নাম পাওয়া গেলনা। যার নাম পাওয়া গেল আমার হিসেবে আগেই যোগ হয়েছেন , তিনি হলেন ৪ নং সেক্টর কমান্ডার - চিত্ত রঙ্গন দত্ত (বীর উত্তম )। এখন আমার মনে হচ্ছে তাদেরকে ( হিন্দুদেরকে ) বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারে পাওয়া যাবে। আসুন জেনে নেই বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার ( ৬ নং প্যারামিটার ) কারা পরিচালনা করছিলেন



১৯৭১ সালের বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রী পরিষদ ও দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যাক্তি বর্গঃ

  • অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  • প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দীন আহমদ
  • পররাষ্ট্র মন্ত্রী - খন্দকার মোশতাক আহমদ
  • স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী - এ এইচ এম কামারুজ্জামান
  • অর্থমন্ত্রী - এম মনসুর আলী
  • প্রধান সেনাপতি - কর্নেল এম এ জি ওসমানী
  • চিফ অব স্টাফ - কর্নেল এম এ রব
  • বিমান বাহিনীর প্রধান - গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খোন্দকার
  • প্রতিরক্ষা সচিব - আবদুস সামাদ
  • উপ সচিব - আকবর আলী খান ও এস এ ইমাম
  • সহকারী সচিব - নুরুল ইসলাম চৌধুরী ও এম এইচ সিদ্দিকী

উপরে উল্লেখিত ব্যাক্তিদের মধ্যে কাউকে কি আপনার হিন্দু বলে মনে হয়? যদি আপনার উত্তর হয় - না। তাহলে হিন্দুরা ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার যুদ্ধে কিভাবে অবদান রাখল, আমাকে বলবেন কি? তাহলে কি যে ৩০ লক্ষ্য শহীদ ও ৩ লক্ষ্য বিরংগনার কল্যাণে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি , তারা সবাই হিন্দু ছিল? যদি তাই হয় তাহলে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিল কারা? মুসলমানরাতো পালানোর জাতি নয়;মুসলমানরা প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিল আর হিন্দুরা প্রাণ বাঁচাতে।


আরো পড়ুনঃ

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান , বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বিশ্ব হতবাক, পাকিস্তানের মাথায় হাত

Thursday, September 27, 2018

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান , বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় বিশ্ব হতবাক, পাকিস্তানের মাথায় হাত

September 27, 2018 0

এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ ;বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান

পশ্চিম পাকিস্তানিরা কিভাবে বাঙ্গালীদের উপর অত্যাচার - অবিচার করেছে তা জানতে নিচের বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ১৯৪৭ - ১৯৭১ পড়ুন । পাকিস্তানীরা আমাদের ভাই কিন্তু আচারন করেছে সৎ ভাইয়ের মত । তারা খেয়েছে আপেল কমলা আর আমাদেরকে দিয়েছে সারা দিনে একবেলা ভাতের ফেন বা জাও । পাকিস্তানীরা হয়েছে অফিসের বস আর আমরা হয়েছি তাদের চাকর বা গোলাম । আমদের বাংলা ভাষাকে তারা মেরে ফেলতে চেয়েছিল । হারামজাদা পাকিস্তানিরা - বজ্জাতের হাড্ডি । আল্লাহর রহমতে আজ আমরা তাদের বস হয়েছি । সামাজিক , অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিক সকল ক্ষেত্রে আজ বাংলাদেশ পাকিস্তানকে পিছনে ফেলেছে । পাকিস্তানিরা বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে - জ্বলে পোড়ে মরে ছারখার । পাপ বাপকেও ছাড়ে না - পাকিস্তানের পাপের ফল পাকিস্তানকেই ভোগ করতে হবে । ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মা আর ৩ লক্ষ বিরঙ্গনা সব সময় পাকিস্তানকে অভিশাপ দিয়ে যাচ্ছে - যাতে জ্বলছে পাকিস্তান;কাঁদছে পাকিস্তান ।



বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান
বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান

বাংলাদেশন বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ; পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যর তুলনা মূলক চিত্র ( ১৯৪৭ - ১৯৭১ )

বাংলাদেশকে চিবিয়ে খেয়েছে - পাকিস্তান
ঘটনা প্রবাহ  পূর্ব পাকিস্তান ( বাংলাদেশ ) পশিম পাকিস্তান ( পাকিস্তান )
আয়তন ১৪৭৫৭০ বর্গ কিঃমিঃ  ৮০৩৯৪০ বর্গ কিঃমিঃ 
জনসংখ্যা সাড়ে সাত কোটি ৫  কোটি 
আয়   ৬০%  ৪০% 
ব্যয় ( ভোগ )  ২৫%   ৭৫% 
পাট রপ্তানি   ৭৫%   ২৫%  
বিদেশী ঋণ   এত ঋণের এক টি পয়সাও বাংলাদেশে আসেনি,
পশ্চিম পাকিস্তানে কল কারখানা ও
 করাচী বন্দর নির্মাণ হয়েছে
এই টাকায় আর সমস্ত ঋণ
 আমাদের পয়সায় শোধ হয়েছে ।  
১৯৬৫ সালে চীন থেকে ৬০ মিলিয়ন ডলার
 বিশ্ব ব্যাংক থেকে ১৯৫৪ তে ১৪ মিলিয়ন ডলার
বিশ্ব ব্যাংক থেকে ১৯৬৪ তে ১৭ মিলিয়ন ডলার
বিশ্ব ব্যাংক থেকে ১৯৬৫ তে ১৫ মিলিয়ন ডলার 
১৯৪৭ সালে টেস্টাইল শিল্প  ৫০৮  টা  ৩৫০ টা  
১৯৭০  সালে টেস্টাইল শিল্প ৪২ টা   ৭০০০০ টা  
চিনি উৎপাদন বৃদ্ধি   ৪%  ৩০০০%  
সিমেন্ট উৎপাদন বৃদ্ধি   ২%  ৫০০%  
চালের দাম   ১ বস্তা ৫০ রুপি   ১ বস্তা ১৮ রুপি  
কৃষি বীজ পেত  ১০%  ৯০%  
ট্রাক্টর   ৯%  ৯১%  
সিভিল সার্ভিসে   ১৬%   ৮৪%  
ফরেন সার্ভিসে   ১৫%   ৮৫ % 
আর্মিতে  ৪%   ৯৬%  
বিদ্যুৎ   ১৭ %  ৮৩%  
শিক্ষায় বরাদ্ধ    ১১%    ৮৯%  
স্কলারশিপ    ১%    ৯৯%  
স্বাস্থ্য    ২০ বছরে বেড়েছে ৬ টা বেড    ২০ বছরে বেড়েছে ২৬০০ বেড  

বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান অর্থনৈতিক পরিসংখ্যান ; পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের তুলনা মূলক চিত্র ১৯৭১- ২০১৮

২০১৮ সালে পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ
ঘটনা প্রবাহ  বাংলাদেশ পাকিস্তান 
আয়তন ২৪৬০৩৭ বর্গ কিঃমিঃ  ৮৮১৯১৩ বর্গ কিঃমিঃ  
জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৮ লক্ষ  ২০ কোটি ৭৮ লক্ষ  
আয়তনে বিশ্বে অবস্থান ৭৮ / ৯৩ ৩৬ 
জনসংখ্যায় বিশ্বে অবস্থান  ৭  ৫ 
পুরুষ - মহিলা অনুপাত   ১০০.৩ঃ ১০০  ১০০.৫ঃ১০০ 
 জনসংখ্যার ঘনত্ব   ১০৯০ জন ( প্রতি বর্গ কিঃমিঃ )  ২৫১ জন ( প্রতি বর্গ কিঃমিঃ)
 শিশু মৃত্যু হার ( এক বছরের নিচে )  ২৮ জন ( প্রতি হাজারে )   ৭৮ জন ( প্রতি হাজারে )  
 প্রত্যাশিত গড় আয়ু  ৭১.৬ বছর  ৬০ বছর  
স্বাক্ষরতার হার   ৭২%  ৫৮%
দারিদ্র সীমা   ২৪.৩%  ৫১% 
অতি দারিদ্র   ১২.৯%  ২৯% 
 GDP প্রবৃদ্ধির হার  ৭.৬৫ %   ৪.৭০%  
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার  ১.৩৭%  ২.১০% 
সরকারী হাসপাতালে শয্যা প্রতি জনসংখ্যা  ১৬৫২ জন 
স্থূল শিশুর জন্মহার ও মৃত্যুহার   ১৮.৭ / ৫.১ [ প্রতি হাজারে ]    x
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যা   ২০৩৯ জন  
স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারের হার   ৭৫ %   x
চলতি মূল্যে মাথাপিছু আয়  ১৭৫২ মার্কিন ডলার   ১৬৪১ মার্কিন ডলার 
চলতি মূল্যে মাথাপিছু GDP  ১৬৭৭ মার্কিন ডলার   ১৪৬৮ মার্কিন ডলার 
GDP তে কৃষি ঃ শিল্পঃ সেবা  ১৪.১০% ঃ ৩৩.৭১% ঃ ৫২.১৮% 
মূল্যস্ফীতি   ৫.৮৩%  x
মোট ব্যাংক   ৫৭ টি    ৮২ টি 
সরকারী বানিজ্যিক ব্যাংক   ৬ টি   ৬ টি 
বিশেষায়িত ব্যাংক   ২ টি  ২ টি 
বেসরকারি  বানিজ্যিক ব্যাংক ৪০ টি  ৩৮ টি 
বিদেশী  বানিজ্যিক ব্যাংক ৯ টি  ৭ টি 
ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান   ৩৪ টি   ১৯ টি  
মোট বীমা  ৭৮ টি  
সরকারী জীবন বীমা  ১ টি  
সরকারী সাধারন বীমা  ১ টি 
বিদেশী বীমা   ১ টি  
সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে   সৌদি আরব থেকে   x
সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়   যুক্তরাষ্ট্রে  
সবচেয়ে আমদানি হয়  চীন থেকে  x
মেডিসিন রপ্তানি করা হয়   ১৪৫ দেশে 
বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা   ১৩৮৪৬ মেঃওঃ  
আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র  ২৭ টি  x
প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাথমিক মজুদ   ৩৯.৯ ট্রিলিয়ন ঘনফুট 
প্রাকৃতিক গ্যাসের উত্তোলনযোগ্য মজুদ  ২৭.৭৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট 
মোবাইল গ্রাহক  ১৪.৭ কোটি  
ইন্টারনেট গ্রাহক   ৮.০৮ কোটি 
বেশি সাহায্য প্রদানকারী দেশ  জাপান   x
বেশি সাহায্যকারী সংস্থা  IDA  x
১ মার্কিন ডলার  ৮০ টাকা  ১২৫ পাকিস্তানি রুপি  
সর্বশেষ বাজেট   ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি ( ৪৮ তম বাজেট )  
প্রথম বাজেট   ৭৮৬ কোটি টাকা   x
পোশাক শিল্পে অবস্থান  ২য় 
 ক্রিকেট- ওয়ানডেঃটেস্টঃT20   ৭ঃ৯ঃ১০  ৫ঃ৭ঃ১

আরো পড়ুনঃ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ইতিহাস ও হিন্দুদের অবদান নিয়ে কিছু না বলা কথা